মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

উপজেলার ঐতিহ্য

বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকার মত পীরগঞ্জ উপজেলাতেও আঞ্চলিক ভাষার ঐতিহ্য রয়েছে।এ অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষা এলাকার মানুষের ভাব বিনিময়ের অকৃত্রিম মাধ্যম।আঞ্চলিক বাংলা ভাষার পাশাপাশি শিক্ষিত,অর্ধশিক্ষিত,অশিক্ষিত সমাজে শুদ্ধ বাংলা চর্চাও রয়েছে।পীরগঞ্জের আঞ্চলিক ভাষায় রয়েছে সাধু ভাষার ক্রিয়াপদের একত্র উচ্চারণ কৌশল,উর্দু,হিন্দি,অসমিয়,উড়িয়া,নেপালী শব্দের সরাসরি বা কিছুটা বিকৃত উচ্চারণ।ফলে পীরগঞ্জের আঞ্চলিক ভাষা দেশের অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষা থেকে ভিন্নতা পেয়েছে।এ উপজেলায় রয়েছে বিভিন্ন আদিবাসীর বসবাস।উপজেলার পাড়িয়া,মল্লিকপুর,করনাই,বড়বাড়ি,দস্তমপুর,বৈরচুনা,চক বাসুদেবপুরসহ আরও বেশকিছু জায়গায় আদিবাসি সাঁওতালরা বসবাস করে।তারা সাওতালি ভাষায় কথা বলে।এছাড়াও এখানে কিছু সংখ্যক ওঁড়াও,মুন্ডা ও মুসোহর আদিবাসী রয়েছে।তারা তাদের নিজ নিজ ভাষায় কথা বলে।

          আবহমানকাল ধরে মুসলিম,হিন্দু,বৌদ্ধ,খৃস্টান,আদিবাসী ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সহাবস্থানে এ অঞ্চলে অর্পূব এক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সংস্কৃতি বিরাজ করছে।তবে অন্যান্য অঞ্চলের মত এ অঞ্চলের মানুষের মধ্যেও আচার-ব্যবহার,অভ্যাস,রীতিনীতি,চলাফেরা,ধ্যান-ধারনায় ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়।ভূ-প্রাকৃতিক দিক থেকে পীরগঞ্জ উপজেলা সুবিধাজনক অবস্থানে অবস্থিত।এ এলাকার মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং অধিকাংশ জমি ফসল উৎপাদনে সক্ষম।খনিজ সম্পদ এখনও অনাবিস্কৃত হলেও টাংগন নদী সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে বিশাল বালু মহাল ও প্রাকৃতিক বনভূমি।যেমন- থুমনিয়া শালবন,সাগুনী শালবন ও জগন্নাথপুর শালবন উল্লেখযোগ্য।

 


Share with :

Facebook Twitter